ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন সম্পর্কে অনেকে জানে, আবার অনেকেই ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানে না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে বেশ কয়েক প্রকার ঋণ প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উদ্যোক্তা লোন অন্যতম।
আপনি কি জানতে চান যে—
- উদ্যোক্তা লোনটি মূলত কাদের জন্য?
- করা পেতে পারে এই লোন!
- উদ্যোক্তা লোন নেয়ার জন্য প্রসেস কি?
- কিভাবে একজন প্রবীণ/ নবীন উদ্যোক্তা এই লোন পেতে পারে !
- উদ্যোক্তা লোনের সুদের হার কত?
- একজন উদ্যোক্তা কত টাকা পর্যন্ত এই লোন পেতে পারে?
- এই লোনেই ভালোদিক-খারাপ দিক কি
- লোন পাওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন
- লোন পরিশোধের নিয়ম কেমন ইত্যাদি।
আচ্ছা, যদি আপনি এই বিষয়গুলো জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলে এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত সঠিক তথ্যটাই জানতে পারবেন। তাহলে শুরু করা যাক প্রতিটা বিষয় একদম ধাপে ধাপে বিস্তারিত।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন কী?
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং পরিচালনা করে। তাই তারা প্রচলিত সুদের বদলে ‘বিনিয়োগ’ বা ‘ইনভেস্টমেন্ট’ শব্দটিকে বেশি প্রাধান্য দেয়। ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন মূলত ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশেষ বিনিয়োগ সুবিধা।
সহজ কথায় বলতে গেলে, যারা নতুন কোনো উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে চান অথবা যাদের ইতোমধ্যে একটি ছোট ব্যবসা আছে কিন্তু অর্থের অভাবে সেটি বড় করতে পারছেন না, তাদের জন্য ইসলামী ব্যাংক সহজ শর্তে যে আর্থিক সহায়তা দেয়, তাকেই আমরা সাধারণ ভাষায় উদ্যোক্তা লোন বলে থাকি। এটি মূলত ব্যাংকটির এমএসএমই (MSME) ইনভেস্টমেন্ট স্কিমের একটি অংশ।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন বৈশিষ্ট্য
অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তা লোনের কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রয়েছে, চলুন আমরা সেগুলো জেনে নেইঃ—
১. শরিয়াহ সম্মত পরিচালনা: এই লোনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ সুদযুক্ত ব্যবস্থার বাইরে শরিয়াহ ভিত্তিক বাই-মুয়াজ্জাল বা বাই-মুরাবাহা পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।
২. সহজ কিস্তি: গ্রাহকের ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কিস্তি পরিশোধের সময় নির্ধারণ করা হয়।
৩. ন্যূনতম ডকুমেন্টেশন: উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করে কাগজের জটিলতা অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে।
৪. নারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা: নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ইসলামী ব্যাংক বিশেষ স্কিম ও কম মুনাফার হারে বিনিয়োগ দিয়ে থাকে।
৫. প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ: শুধু টাকা দিয়েই ক্ষান্ত হয় না, ইসলামী ব্যাংক অনেক সময় উদ্যোক্তাদের সঠিক ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন পাওয়ার যোগ্যতা
লোনের আবেদন করার আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি ব্যাংকের নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ডে টিকে আছেন কি না। নিচে সাধারণ যোগ্যতাগুলো উল্লেখ করা হলোঃ
- বয়স: আবেদনকারীর বয়স সাধারণত ১৮ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- অভিজ্ঞতা: আপনি যে ব্যবসাটি করতে চাচ্ছেন, সেই বিষয়ে আপনার ন্যূনতম ৬ মাস থেকে ১ বছরের অভিজ্ঞতা বা প্রশিক্ষণ থাকা বাঞ্ছনীয়।
- নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।
- ব্যবসার অবস্থান: ব্যবসার একটি স্থায়ী ঠিকানা বা দোকান/অফিস থাকতে হবে।
- পরিচ্ছন্ন রেকর্ড: আবেদনকারী অন্য কোনো ব্যাংকের ডিফল্টার বা ঋণখেলাপি হতে পারবেন না।
- ট্রেড লাইসেন্স: ব্যবসার অনুকূলে একটি বৈধ এবং আপডেট করা ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন নেয়ার নিয়ম
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন পাওয়ার প্রক্রিয়াটি বেশ কয়েকটি ধাপে বিভক্ত। নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলোঃ
আপনি চাইলে সরাসরি ব্যাংকের শাখায় গিয়ে অথবা অনলাইনে প্রাথমিক যোগাযোগ করতে পারেন। নিচে ধাপে ধাপে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:
- উদ্যোক্তা লোন নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার নিকটস্থ যেকোনো একটা শাখায় যেতে হবে, আপনি চাইলে এজেন্ট শাখাগুলোতেও যেতে পারেন ।
- ইসলামী ব্যাংক শাখায় গিয়ে লোন ডেস্কে যোগাযোগ করুন এবং তাদের থেকে ধাপে ধাপে এগোন।
- এরপর, তারা আপনাকে উদ্যোক্তা লোনের জন্য যে ফরম আছে , সেটি আপনাকে দিবে, আপনি সেটা সুন্দর করে সঠিক তথ্য দিয়ে পুরন করবেন।
- এরপর,ফরম পুরন করা হলে সেটি জমা দিবেন।
- জমা দেয়ার পর, আপনার তথ্যগুলো ব্যাংক কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করবে। আপনি যদি লোণের জন্য যোগ্য হন, তখন আপনি লোন পাবেন।
এই ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই উদ্যোক্তা লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
উদ্যোক্তা লোনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
উদ্যোক্তা লোনের আবেদনের জন্য আপনার নিচের কাগজগুলো প্রয়োজন হবে, নিচে দেয়া হলো দেখে নিনঃ—
- আবেদনকারীর ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) ফটোকপি।
- হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স।
- টিন (TIN) সার্টিফিকেটের কপি।
- ব্যবসার ঠিকানার বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিলের কপি।
- বিগত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যদি থাকে)।
- জামিনদারের (Guarantor) ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোনের সুদের হার
ইসলামী ব্যাংক যেহেতু সুদ গ্রহণ করে না, তাই তারা ‘মুনাফার হার’ বা ‘প্রফিট রেট’ হিসেব করে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মুনাফার হার সাধারণত ৯% থেকে ১১% এর মধ্যে ওঠানামা করে। তবে কুটির শিল্প বা নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৪% থেকে ৫% মুনাফাতেও লোন পাওয়া সম্ভব।
বি.দ্র.: সময়ভেদে এবং ব্যবসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী এই হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সর্বশেষ রেট জানতে আপনার শাখার সাথে কথা বলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন পরিশোধের নিয়ম
লোন নেওয়ার পর তা পরিশোধ করা একটি বড় দায়িত্ব। ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন পরিশোধের জন্য সাধারণত মাসিক কিস্তি (Monthly Installment) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।
- মেয়াদ: লোনের ধরন অনুযায়ী এটি ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হতে পারে।
- গ্রেস পিরিয়ড: কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য ব্যাংক ৩ থেকে ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ড (অর্থাৎ শুরুর কয়েক মাস কিস্তি দিতে হয় না) সুবিধা দিয়ে থাকে।
- অনলাইন পেমেন্ট: আপনি সরাসরি শাখায় গিয়ে, চেক বইয়ের মাধ্যমে অথবা ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন (CellFin) অ্যাপের মাধ্যমে কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন চার্ট

আরও পড়ুনঃ ইসলামী ব্যাংক গাড়ি লোন ২০২৬-লোন নেয়ার নিয়ম বিস্তারিত
প্রবাসীরা কি এই লোন নিতে পারবে?
অনেকেই আছেন প্রবাসী তারা জানতে চান প্রবাসীরা ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন নিতে পারবে কি না। উত্তর হলো— হ্যাঁ, তারাও নিতে পারবে। তবে এর কিছু বিশেষ নিয়ম আছে, যেগুলা মেনে লোন নিতে পারবেনঃ—-
১. প্রতিনিধির মাধ্যমে: প্রবাসী ব্যক্তি নিজে বিদেশে থাকলেও বাংলাদেশে তার পরিবারের কোনো সদস্যকে (বাবা, ভাই, মা বা স্ত্রী) উদ্যোক্তা বানিয়ে তার মাধ্যমে লোনের আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রবাসী ব্যক্তি গ্যারান্টর হিসেবে থাকতে পারেন।
২. রেমিট্যান্স রেকর্ড: আবেদনকারীর পরিবার যদি নিয়মিত ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রহণ করে, তবে লোন পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
৩. ব্যবসায়িক পরিকল্পনা: প্রবাস ফেরত ব্যক্তিরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে কোনো ব্যবসা শুরু করতে চাইলে তাদের পাসপোর্ট এবং প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতার সনদ জমা দিয়ে বিশেষ স্কিমে বিনিয়োগ পেতে পারেন।
৪. প্রবাস বন্ধু স্কিম: ইসলামী ব্যাংকের কিছু বিশেষ স্কিম আছে যা শুধুমাত্র প্রবাসীদের স্বনির্ভর করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
উদ্যোক্তা লোন পাওয়ার কিছু কার্যকরী পরামর্শ
অনেকেই লোনের জন্য আবেদন করেন কিন্তু রিজেক্ট হন। আপনার আবেদনটি যাতে সফল হয় সেজন্য নিচের টিপসগুলো ফলো করতে পারেন:
- একটি গোছানো বিজনেস প্ল্যান তৈরি করুন: আপনার ব্যবসাটি কী, এটি কীভাবে লাভজনক হবে এবং আপনি কীভাবে লোন শোধ করবেন— তার একটি পরিষ্কার ধারণা ব্যাংককে দিন।
- লেনদেন স্বচ্ছ রাখুন: আপনার যদি আগে থেকে কোনো ব্যাংক একাউন্ট থাকে, তবে সেখানে নিয়মিত লেনদেন করার চেষ্টা করুন। ভালো ব্যাংক স্টেটমেন্ট লোন পেতে জাদুর মতো কাজ করে।
- সঠিক শাখা নির্বাচন করুন: আপনার ব্যবসার লোকেশন যে ব্রাঞ্চের আন্ডারে, সেই ব্রাঞ্চেই আবেদন করা ভালো। এতে ভেরিফিকেশন করা সহজ হয়।
- সহযোগিতামূলক আচরণ: ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন এবং তারা কোনো তথ্য চাইলে দ্রুত সরবরাহ করুন।
- ছোট আকারে শুরু করুন: প্রথমে অনেক বড় অ্যামাউন্টের লোনের জন্য আবেদন না করে ছোট দিয়ে শুরু করুন। পরবর্তীতে সময়মতো পরিশোধ করে বড় লোনের জন্য আবেদন করা সহজ হয়।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোনের সীমাবদ্ধতা ও সতর্কতা
লোন নেওয়া যেমন সুবিধার, তেমনি কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। আসুন জেনে নেই সেগুলোঃ—
- খেলাপি হবেন না: কিস্তি দিতে দেরি হলে বা খেলাপি হলে আপনার ক্রেডিট রেকর্ড খারাপ হয়ে যাবে, ফলে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যাংক থেকে লোন পাবেন না।
- টাকার সঠিক ব্যবহার: লোনের টাকা অন্য কোনো খাতে (যেমন ব্যক্তিগত বিলাসিতা বা পারিবারিক খরচ) ব্যয় করবেন না। এটি শুধু ব্যবসার জন্যই ব্যবহার করুন।
- গ্যারান্টর নির্বাচন: আপনার গ্যারান্টর যেন একজন বিশ্বস্ত এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হন, তা নিশ্চিত করুন।
উপসংহার
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার প্রসারে ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন একটি আস্থার নাম। সঠিক পরিকল্পনা এবং সঠিক নিয়ম মেনে আবেদন করতে পারলে এই লোন আপনার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে। আপনি যদি একজন পরিশ্রমী এবং স্বপ্নবাজ মানুষ হন, তবে মূলধনের অভাবে থেমে না থেকে ইসলামী ব্যাংকের দ্বারস্থ হতে পারেন।
মনে রাখবেন, ব্যাংক আপনাকে তখনই টাকা দেবে যখন তারা বুঝতে পারবে আপনার ব্যবসায় টিকে থাকার এবং লাভ করার সম্ভাবনা আছে। তাই নিজের দক্ষতাকে ঝালাই করুন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে ফেলুন এবং আজকের এই গাইডটি অনুসরণ করে আপনার আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করুন।
ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন নিয়ে আপনার মনে যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে কমেন্ট বক্সে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা চেষ্টা করবো আপনার সমস্যার সমাধান দিতে। আপনার সফল উদ্যোক্তা জীবনের জন্য শুভকামনা!
FAQ
১. উদ্যোক্তা লোন পেতে কতদিন সময় লাগে?
সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে এবং ব্যাংকের ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক হলে সাধারণত ১০ থেকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে লোন প্রসেস হয়ে যায়।
২. কোনো জামানত (Collateral) কি লাগে?
লোনের পরিমাণ যদি বেশি হয় (সাধারণত ৫-১০ লক্ষ টাকার উপরে), তবে ব্যাংক স্থাবর সম্পত্তি বা অন্য কোনো গ্যারান্টি চাইতে পারে। তবে ছোট অংকের লোনের ক্ষেত্রে গ্যারান্টর এবং ট্রেড লাইসেন্সই যথেষ্ট হতে পারে।
৩. নতুন উদ্যোক্তারা কি লোন পাবে?
হ্যাঁ, ইসলামী ব্যাংক নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট সুবিধা দিয়ে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে একটি চমৎকার বিজনেস প্ল্যান থাকা বাধ্যতামূলক।
৪. সেলফিন অ্যাপ দিয়ে কি লোন আবেদন করা যায়?
বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপের মাধ্যমে অনেক ডিজিটাল সেবার আবেদন করা যায়, তবে পূর্ণাঙ্গ উদ্যোক্তা লোনের জন্য আপনাকে সরাসরি নিকটস্থ শাখায় গিয়ে যোগাযোগ করা সবচেয়ে ভালো।
