সিটি ব্যাংক হোম লোন সম্পর্কে অনেকে জানে, আবার অনেকেই সিটি ব্যাংক হোম লোন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানে না। সিটি ব্যাংক বেশ কয়েক প্রকার ঋণ প্রদান করে থাকে তার মধ্যে হোম লোন অন্যতম।
আপনি কি জানতে চান যে—
- হোম লোনটি মূলত কাদের জন্য?
- করা পেতে পারে এই হোম লোন!
- হোম লোন নেয়ার জন্য প্রসেস কি?
- কিভাবে একজন ব্যক্তি তার স্বপ্নের বাড়ি করার জন্য এই লোন পেতে পারে !
- হোম লোনের সুদের হার কত?
- একজন ব্যক্তি কত টাকা পর্যন্ত হোম লোন পেতে পারে?
- এই লোনেই ভালোদিক-খারাপ দিক কি
- লোন পাওয়ার জন্য কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন
- লোন পরিশোধের নিয়ম কেমন ইত্যাদি।
আচ্ছা, যদি আপনি এই বিষয়গুলো জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলে এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত সঠিক তথ্যটাই জানতে পারবেন। তাহলে শুরু করা যাক প্রতিটা বিষয় একদম ধাপে ধাপে বিস্তারিত।
সিটি ব্যাংক হোম লোন কি?
সহজ কথায়, আপনার নিজের বাড়ি নির্মাণ, ফ্ল্যাট ক্রয় কিংবা বিদ্যমান বাড়ি সংস্কারের জন্য সিটি ব্যাংক যে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ সুবিধা প্রদান করে, তাকেই সিটি ব্যাংক হোম লোন বলা হয়। সিটি ব্যাংক গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে সাশ্রয়ী সুদের হার এবং নমনীয় কিস্তিতে এই লোন দিয়ে থাকে।
সিটি ব্যাংকের এই ঋণের বিশেষত্ব হলো এর দ্রুত প্রসেসিং এবং স্বচ্ছতা। এটি কেবল নতুন ফ্ল্যাট কেনার জন্যই নয়, বরং সেমি-পাকা বাড়ি নির্মাণ বা কমার্শিয়াল স্পেস কেনার জন্যও ব্যবহার করা যায়।
সিটি ব্যাংক হোম লোন বৈশিষ্ট্য
সিটি ব্যাংকের হোম লোন কেন অন্য সবার চেয়ে আলাদা? এর কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
- লোনের পরিমাণ: গ্রাহকের আয় এবং প্রপার্টির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লোন পাওয়া সম্ভব। সাধারণত প্রপার্টি ভ্যালুর ৭০% পর্যন্ত লোন দিয়ে থাকে ব্যাংক।
- দীর্ঘমেয়াদী সময়সীমা: এই লোন পরিশোধের জন্য আপনি সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।
- দ্রুত অনুমোদন: প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে লোন প্রসেস করা হয়।
- আংশিক পরিশোধের সুবিধা: আপনি চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই লোনের কিছু অংশ পরিশোধ করে আপনার মাসিক কিস্তি (EMI) কমিয়ে আনতে পারেন।
- বীমা সুবিধা: ঋণের বিপরীতে জীবন বীমা করার সুযোগ থাকে, যা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পরিবারের ওপর ঋণের বোঝা চাপতে দেয় না।

সিটি ব্যাংক হোম লোনের যোগ্যতা
লোনের জন্য আবেদন করার আগে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি ব্যাংকের নির্ধারিত শর্তাবলি বা যোগ্যতার মধ্যে পড়ছেন কি না। সাধারণত নিচের বিষয়গুলো দেখা হয়:
- জাতীয়তা: আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- বয়স সীমা: আবেদনকারীর বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং লোন ম্যাচিউরিটির সময় সর্বোচ্চ ৬৫ বছর (পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে) হতে পারবে।
- আয়ের উৎস: আবেদনকারীকে বেতনভুক্ত কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা স্বনির্ভর পেশাজীবী হতে হবে।
- ন্যূনতম আয়: * বেতনভুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য মাসিক আয় সর্বনিম্ন ২৫,০০০ – ৩০,০০০ টাকা।
- বেসরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য মাসিক আয় সর্বনিম্ন ৫০,০০০ টাকা (এটি সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল হতে পারে)।
- কাজের অভিজ্ঞতা: চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ বছরের মোট অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান কর্মস্থলে ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ৩ বছরের ব্যবসার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
সিটি ব্যাংক হোম লোনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
সিটি ব্যাংক হোম লোন আবেদনের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র জমা দিতে হবে:
সাধারণ কাগজপত্র:
- আবেদনকারীর এবং গ্যারান্টরের জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) কপি।
- সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- ই-টিন (e-TIN) সার্টিফিকেটের কপি।
- ইউটিলিটি বিলের (গ্যাস/বিদ্যুৎ) কপি।
আয়ের প্রমাণপত্র:
- চাকরিজীবী: গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্যালারি সার্টিফিকেট এবং পে-স্লিপ।
- ব্যবসায়ী: গত ১ বছরের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্রেড লাইসেন্স এবং টিআইএন সার্টিফিকেট।
প্রপার্টি সংক্রান্ত কাগজপত্র:
- বায়না দলিলের কপি।
- জমির মূল দলিল এবং বায়া দলিলের কপি।
- খতিয়ান ও মিউটেশন পর্চা।
- রাজউক বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্ল্যান এবং অনুমোদন পত্র।
সিটি ব্যাংক হোম লোন সুদের হার
সুদের হার মূলত বাজার পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। তবে সিটি ব্যাংক সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক সুদের হারে লোন প্রদান করে।
- সুদের হার: বর্তমানে ৯% থেকে ১১% এর আশেপাশে সুদের হার ওঠানামা করে (স্মার্ট রেট বা ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ পলিসি অনুযায়ী)।
- প্রসেসিং ফি: লোনের পরিমাণের ওপর সাধারণত ০.৫% থেকে ১% পর্যন্ত প্রসেসিং ফি চার্জ করা হয়।
- স্ট্যাম্প ডিউটি ও লিগ্যাল ফি: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্ট্যাম্প ফি এবং ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবীর ভেরিফিকেশন ফি গ্রাহককে বহন করতে হয়।
সিটি ব্যাংক হোম লোন নেয়ার নিয়ম
আপনি চাইলে সরাসরি সিটি ব্যাংকের শাখায় গিয়ে অথবা অনলাইনে প্রাথমিক যোগাযোগ করতে পারেন। নিচে ধাপে ধাপে পদ্ধতিটি দেওয়া হলো:
- হোম লোন নেয়ার জন্য আপনাকে আপনার নিকটস্থ যেকোনো একটা শাখায় যেতে হবে, আপনি চাইলে এজেন্ট শাখাগুলোতেও যেতে পারেন ।
- সিটি ব্যাংক শাখায় গিয়ে লোন ডেস্কে যোগাযোগ করুন এবং তাদের থেকে ধাপে ধাপে এগোন।
- এরপর, তারা আপনাকে হোম লোনের জন্য যে ফরম আছে , সেটি আপনাকে দিবে, আপনি সেটা সুন্দর করে সঠিক তথ্য দিয়ে পুরন করবেন।
- এরপর,ফরম পুরন করা হলে সেটি জমা দিবেন।
- জমা দেয়ার পর, আপনার তথ্যগুলো ব্যাংক কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই করবে। আপনি যদি লোণের জন্য যোগ্য হন, তখন আপনি লোন পাবেন।
এই ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই হোম লোন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রবাসীরা কি সিটি ব্যাংক হোম লোন নিতে পারবেন?
হ্যাঁ, সিটি ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য বিশেষ হোম লোন সুবিধা প্রদান করে। অনেক প্রবাসী ভাই-বোন কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে দেশে একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই করতে চান। তাদের জন্য নিয়মগুলো হলো:
- আবেদন প্রক্রিয়া: প্রবাসী গ্রাহক বিদেশে অবস্থান করেও আবেদন করতে পারেন। তবে দেশে তার একজন নির্ভরযোগ্য ‘পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি’ বা প্রতিনিধি থাকতে হয়।
- যোগ্যতা: প্রবাসীকে বৈধভাবে বিদেশে কর্মরত থাকতে হবে এবং বৈধ পথে (রেমিট্যান্স) দেশে টাকা পাঠানোর প্রমাণ থাকতে হবে।
- কাগজপত্র: পাসপোর্টের কপি, কাজের চুক্তিনামা বা স্যালারি সার্টিফিকেট, এবং গত ৬-১২ মাসের বিদেশি ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রয়োজন হবে।
- সুবিধা: প্রবাসীরাও সাধারণ গ্রাহকদের মতো দীর্ঘমেয়াদী কিস্তিতে লোন পরিশোধের সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুনঃ ইসলামী ব্যাংক গাড়ি লোন ২০২৬-লোন নেয়ার নিয়ম বিস্তারিত
সিটি ব্যাংক হোম লোন পরিশোধের নিয়ম
সিটি ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার পর তা পরিশোধ করতে হয় সমান মাসিক কিস্তিতে, যাকে বলা হয় EMI (Equated Monthly Installment)।
- আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অটো-ডেবিট সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে কিস্তি কেটে নেওয়া হবে।
- আপনি চাইলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে লোন সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্লোজ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সামান্য কিছু আর্লি সেটেলমেন্ট ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
সিটি ব্যাংক হোম লোন চার্ট
সিটি ব্যাংক হোম লোনের কিস্তি (EMI) এবং বিভিন্ন মেয়াদের একটি আনুমানিক চার্ট নিচে দেওয়া হলো। এই চার্টটি আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে যে, নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণের জন্য আপনাকে প্রতি মাসে কত টাকা কিস্তি দিতে হতে পারে।
বিদ্র: এখানে সুদের হার ১০.৫০% (একটি গড় হার) ধরে হিসাব করা হয়েছে। বর্তমান বাজার দর এবং আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী এই হার কম বা বেশি হতে পারে।

চার্টটি বোঝার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সুদের হারের প্রভাব: যদি সুদের হার ১০.৫০% এর চেয়ে কমে (যেমন ৯%), তবে আপনার মাসিক কিস্তির পরিমাণ আরও কমে আসবে। আবার হার বাড়লে কিস্তি বাড়বে।
- আয়ের সাথে সামঞ্জস্য: ব্যাংক সাধারণত আপনার মোট মাসিক আয়ের ৪০% থেকে ৫০% এর বেশি কিস্তি নির্ধারণ করে না। যেমন: আপনার বেতন যদি ১ লক্ষ টাকা হয়, তবে ব্যাংক চাইবে আপনার কিস্তি যেন ৪৫,০০০ – ৫০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে।
- প্রসেসিং ফি: চার্টে মাসিক কিস্তি দেখানো হয়েছে, তবে শুরুতে আপনাকে লোনের পরিমাণের ওপর ০.৫% থেকে ১% প্রসেসিং ফি এবং স্ট্যাম্প ডিউটি আলাদাভাবে দিতে হবে।
- আংশিক পরিশোধ: সিটি ব্যাংকের একটি সুবিধা হলো, আপনার কাছে অতিরিক্ত টাকা থাকলে আপনি লোনের মাঝপথে বড় অংকের টাকা জমা দিয়ে মূল ঋণ (Principal Amount) কমিয়ে নিতে পারেন, এতে পরের মাস থেকে আপনার কিস্তি কমে যাবে।
কিস্তি কমানোর টিপস
আপনি যদি মাসিক কিস্তির চাপ কমাতে চান, তবে লোনের মেয়াদ (Tenure) বাড়িয়ে নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, মেয়াদ যত বেশি হবে, আপনাকে মোট সুদের পরিমাণ তত বেশি দিতে হবে। তাই সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম মেয়াদে লোন নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
আরও পড়ুনঃ ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তা লোন ২০২৬-লোন নেয়ার নিয়ম A to Z
সিটি ব্যাংক হোম লোন নেওয়ার পরামর্শ
লোন নেওয়া একটি বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত। তাই আবেদনের আগে নিচের পরামর্শগুলো খেয়াল রাখুন:
- আর্থিক সক্ষমতা যাচাই: আপনার মাসিক আয়ের ৩০%-৪০% এর বেশি যেন কিস্তি (EMI) না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। নয়তো সংসার চালানো কঠিন হতে পারে।
- প্রপার্টি যাচাই: লোন নেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে ফ্ল্যাট বা জমিটি লিগ্যাল দিক থেকে নিষ্কণ্টক। সিটি ব্যাংকের লিগ্যাল টিম এই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে।
- হিডেন চার্জ: লোন নেওয়ার আগে প্রসেসিং ফি, ভ্যালুয়েশন ফি এবং আর্লি সেটেলমেন্ট ফি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।
- সহ-আবেদনকারী: আপনার একার আয়ে যদি লোনের পরিমাণ কম হয়, তবে স্ত্রী বা রক্ত সম্পর্কীয় কাউকে সহ-আবেদনকারী (Co-applicant) হিসেবে যুক্ত করতে পারেন। এতে বড় অংকের লোন পাওয়া সহজ হয়।
- ক্রেডিট স্কোর ঠিক রাখা: আপনার যদি আগে কোনো লোন বা ক্রেডিট কার্ড থেকে থাকে, তবে সেগুলোর কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করুন। ভালো ক্রেডিট স্কোর থাকলে সিটি ব্যাংক হোম লোন দ্রুত অ্যাপ্রুভ হয়।
উপসংহার
একটি সুন্দর বাড়ি কেবল ইট-পাথরের দেয়াল নয়, এটি আপনার সারাজীবনের অর্জনের প্রতীক। সিটি ব্যাংক হোম লোন আপনার সেই স্বপ্ন পূরণে এক বিশ্বস্ত সহযোগী হতে পারে। তাদের নমনীয় শর্ত এবং গ্রাহকবান্ধব সেবা আপনাকে দুশ্চিন্তামুক্তভাবে নিজের বাড়ি গড়ার সুযোগ করে দেয়।
তবে লোন নেওয়ার আগে অবশ্যই বর্তমান সুদের হার এবং কিস্তির পরিমাণ সম্পর্কে নিকটস্থ সিটি ব্যাংক শাখায় কথা বলে নিন অথবা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সঠিক পরিকল্পনা আর সিটি ব্যাংকের সহযোগিতা থাকলে আপনার স্বপ্নের ঠিকানা হবে আপনার হাতের নাগালে।
FAQ
১. সিটি ব্যাংক হোম লোন পেতে কতদিন সময় লাগে?
সব কাগজপত্র সঠিক থাকলে সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লোন প্রসেস হয়ে যায়।
২. আমি কি লোনের টাকা দিয়ে পুরাতন ফ্ল্যাট কিনতে পারি?
হ্যাঁ, সিটি ব্যাংক পুরাতন ফ্ল্যাট কেনার জন্যও লোন প্রদান করে, তবে ভবনের বয়স এবং অবস্থাভেদে ব্যাংকের কিছু শর্ত থাকে।
৩. লোনের বিপরীতে কি কোনো জামানত দিতে হয়?
হোম লোনের ক্ষেত্রে আপনি যে ফ্ল্যাট বা বাড়িটি কিনছেন, সেটিই ব্যাংকের কাছে বন্ধক বা জামানত হিসেবে থাকে।
৪. আমি যদি সময়ের আগে লোন শোধ করতে চাই, তবে কি কোনো চার্জ দিতে হবে?
হ্যাঁ, বেশিরভাগ ব্যাংকই মেয়াদপূর্ব পরিশোধের (Early Settlement) ক্ষেত্রে ১% থেকে ২% পর্যন্ত ফি নিয়ে থাকে। সিটি ব্যাংকের ক্ষেত্রে বর্তমান পলিসিটি জেনে নেওয়া ভালো।
৫. অবিবাহিত ব্যক্তিরা কি লোন পেতে পারেন?
অবশ্যই। পেশা এবং মাসিক আয়ের যোগ্যতা পূরণ করলে অবিবাহিত নারী বা পুরুষ যে কেউ লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে একজন বাবা বা মাকে সহ-আবেদনকারী হিসেবে রাখা যেতে পারে।
